প্রাচীনযুগের ভারতীয় কবি কালিদাস আসছে মঞ্চে!

Share This Story !

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে ২২ জানুয়ারি সন্ধা ৭ টায় ” কালিদাস ” নাটকটি নিয়ে মঞ্চে হাজির হচ্ছেন থিয়েটার ‘৫২।

কালিদাস পন্ডিতের নাম শুনেননি এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। কিন্তু সেই কালিদাস কিভাবে পন্ডিত হয়ে উঠলেন, কিইবা তার বিদ্যা বুদ্ধি তার কতটুকুই আমাদের জানার সুযোগ হয়েছে?

কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। ইংরেজ কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের মতো দেখা হয় তাকে সংস্কৃত ভাষার সাহিত্যে। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনি সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। প্রচলিত জীবন কল্প নিয়েই কালিদাসের জীবনের খন্ড অংশ রচনা করেছেন অপূর্ব কুমার কুন্ডু। আর মঞ্চে কালিদাসের খন্ড জীবনকে প্রান দিয়েছেন জয়িতা মহলানবীশ। মঞ্চ নাটকটির মূল কালিদাস চরিত্রে অভিনয় করছেন মঞ্চ কর্মী নজরুল ইসলাম।

এছাড়াও নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাটকটির পরিচালক জয়িতা মহলানবীশ, সেইন্টলী বিশ্বাস কথা, আদিব মজলিশ খান, রুদ্ররায় অপু, এম পারভেজ ও কৃষ্ণ সরকার । থিয়েটার ‘৫২ -র ৫ম প্রযোজনায় তারা তুলে এনেছেন মহাকবি কালিদাসকে। সমগ্র প্রাচ্যদেশ তথা পৃথিবী সংস্কৃত সাহিত্যের কাছে ঋণী। সেই সংস্কৃত সাহিত্য মহাকবি কালিদাস অমরাবতীর অমৃত দ্বারা প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন। যে কারণে সাহিত্য বা ভাষা ধ্বনি আর আক্ষরিক পর্যায়ে সীমিত রইল না। সুললিত সুর ঝংকারে কাব্যবীণা অনুপ্রাণিত করল।

সেই সুরধ্বনি, সেই সুললিত কাব্য দ্বারা সে যুগের সংস্কৃত সাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। প্রকৃতি ও মানবজীবনের আনন্দময় বর্ণনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে কালিদাসের প্রসন্ন জীবনবোধ। তার কাব্যের মূল প্রেরণা এই পৃথিবী ও মানবজীবন। তার রচনায় ব্যক্ত হয়েছে আবেগের সমুন্নত উচ্ছ্বাস, চিরন্তন সত্য ও পর্যবেক্ষণলব্ধ নৈতিকতাবোধ।

তাই মহাকবি কালিদাস পন্ডিতকে ঘিরে এ নাটকের প্রতি দর্শক আগ্রহও কম নয়। সেই দর্শক আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই নাটকটি মঞ্চে আনছেন থিয়েটার’৫২।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *