আশায় নিরাশ হতে হতে আজ আশা করা ছেড়ে দিছি!

Share This Story !

চায়না থেকে মর্তুজা আহমেদ বাদল: গত ১ লা জানুয়ারিতে যখন উহান থেকে ৩১২ জন বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে নেয়া হয় তখন আমরা ইচাং এ থাকা ১৭২ জন যাওয়ার কথা বললে চায়নায় থাকা বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত আমাদের জানান যে ২য় ধাপে আমাদের নেয়া হবে। আমরা তার কথার উপর বিশ্বাস রেখে আমাদের কাছে যে সকল তথ্য চাওয়া হয় সেগুলা দিনরাত পরিশ্রম করে পাঠিয়ে দেই।

তার পরদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক কথায় বলে বসে চায়না থেকে আর কাউকে আনা হবে না একথা শুনে আমরা অনেক অনেক ভেঙ্গে পড়ি তার দুদিন পর আবার সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা চেষ্টা করি আমাদের কষ্টের অবস্থা সরকারকে জানানোর।

কোনো ফলাফল না পেয়ে অপেক্ষায় থাকি প্রধানমন্ত্রীর ইতালি থেকে দেশে ফেরার যে উনি এসে জানলে হয়তো কিছু হবে। এর ভিতরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নানান কথা বলতে থাকেন যাতে আমরা আরো ভেঙ্গে পরি সেগুলো শুনে।

এরপর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে জানায় যে আমাদের নেয়া হবে। ওদিন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রদূত আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং আবার আমাদের তথ‍্য নেন। আমরা আশায় আনেক বেশি বুক বাধি। এই কষ্টের জিবন থেকে মুক্তি পাবো আর আতঙ্কের অবসান ঘটবে এই আশায় ঈদের আনন্দ পাচ্ছিলাম।

তারপর গতকাল বাংলাদেশে থাকা চাইনিজ রাষ্ট্রদূত তার এক ব‍্যক্তিগত মতামত দেন যে আমাদের নাকি দেশে না নেয়া ভাল।

একটা প্রশ্ন আমাদের দেশ কি এখনো ব্রিটিশদের হাতে বন্ধি,যদি তা না হয় তবে অন‍্যের মতামতকে কেন প্রাধান্য দেয়া হবে। নিজেদের মতামতে কেন অন‍্যকে টানতে হবে।

একথা শুনে আমাদের মনের ঈদের আনন্দ পুরো ধুলোর সাথে মিশে গেছে। আমাদের সকল আশা এখন শুণ‍্যের কাতারে।

আমরা আজ ভুক্তভোগী বলে আমাদেরকে নিয়ে এভাবে কেনো নাটক করা হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক আর সংবিধান অনুযায়ী আমরা কি সাহায্য সরকারের কাছে পেতে পারি না।

এখন ভাঙ্গা মন নিয়ে এটা বলতে চাই
“”মানুষ বাচেঁ আশায় আর দেশ বাচেঁ ভালবাসায়””
যার একটাও আমাদের নাই!

আর কতো নিরাশ করলে খুশি হবেন এই বাচ্চা বাচ্চা মনগুলোকে।এই নাটকের শেষ কোথায়!

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *