বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দিলো গাইবান্ধা জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ

Share This Story !

ছাত্র অধিকার পরিষদ গাইবান্ধা জেলা কমিটির উদ্যোগে করোনা সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে। নোভেল করোনা ভাইরাস একটি সংক্রামক ব্যাধি।এটি একটি সুপ্ত শত্রু।আক্রান্ত ব্যাক্তি ১৪ দিন পার না হলে বুঝার উপায় নেই সে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত।

সব কিছু উপেক্ষা করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ গাইবান্ধা শাখা কমিটির সদস্যরা। ছাত্র অধিকার পরিষদ গাইবান্ধা জেলা কমিটির উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ জানান, ত্রাণ নিজেরা প্যাকেট করে প্রকৃত অভাবী,দিনমজুর, ভ্যানচালক,রিক্সাচালাক,ফকির-মিসকিনদের মাঝে এই সব ত্রাণ বিতরণ করেন।তারা ত্রাণের প্রতিটি প্যাকেটে চাল,আলু,মসুর ডাল,পিঁয়াজ, লবণ,তেল, সাবানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী নিজেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেন।

গাইবান্ধার জেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে তারা কখনো হেঁটে কখনো নিজেরা বাইকেল চালিয়ে প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করেন সকাল থেকে মধ্যে রাত অবধি । সে সময় তারা করোনা সচেতনতার জন্য মানু্ষদের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য এবং ঘরে থাকার জন্যও আহবান করেন।ইতিমধ্যে গাইবান্ধা জেলাকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন লকডাউন ঘোষণা করেছেন। গাইবান্ধা জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ একযোগে ত্রাণ বিতরণ করেন গাইবান্ধা সদর,সাঘটা-ফুলছড়ি,পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ সাদুল্লাপুরের ইসলামপুর,ধাপেরহাট,মোয়াগাড়ি,তাঁতীপাড়া,চক গোবিন্দপুর, তিলকপাড়া,মোলংবাজার,আলীনগরসহ বিভিন্ন গ্রামে।

এছাড়াও তারা তাদের পার্শ্ববর্তী জেলা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করেন। জেলা সমন্বয় মোত্তাকিন জানান, চাহিদা তুলনায় ছাত্র অধিকার পরিষদ গাইবান্ধা জেলা কমিটি যদিও ত্রাণে পরিমাণ কম পৌঁছাতে পেরেছেন। কিন্তু তারা খুঁজে খুঁজে প্রকৃত অভাবীদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। জেলা কমিটির সদস্য রাহুল বলেন,এভাবে যদি প্রতিটি জেলা,উপজেলা, পাড়া মহল্লার সংগঠন গুলো সরকারের পাশাপাশি কাজ করে যায় তাহলে কোভিড ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের এই ক্রান্তিলগ্নে অভাব কিছুটা হলেও মোছান করা সম্ভব। ছাত্র অধিকার পরিষদ গাইবান্ধা শাখা কমিটি সমাজ ও রাষ্ট্রে সকল বিত্তশালীদেরও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান করেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *