ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণীত সংবাদের বিরুদ্ধে ডা. রাজ্জাকের প্রতিবাদ ও অভিযোগ

Share This Story !

ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণীত সংবাদের বিরুদ্ধে ডা. রাজ্জাকের প্রতিবাদ ও অভিযোগ

১। বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার প্রকাশিত “কোটি টাকার প্রতারণা হোমিও দুই ডাক্তারের” উক্ত খবরে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার জনাব ডা. আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার এবং বঙ্গবন্ধু হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন ভূঞা খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। ডাঃ খোকনের সাথে হোপেস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কোন সম্পর্ক নেই।

২। হোপেস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক, কর্মকর্তা/কর্মচারী পরিচালনা বোর্ডের নামে কোন জমি ক্রয় করা হয়নি। কলেজের নামে জমি ক্রয় করা হয়েছে।

৩। হোপেস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তিতে কলেজের নামে বা আমার নামে কোন টাকা নেওয়া হয়নি।

৪। পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগের যে কথা পত্রিকা মারফত জানতে পারলাম সেটি কী! কেন আমাকে না জানিয়ে পত্রিকায় তুলে ধরা হলো এবং আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলো না।

৫। হোপেস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নামে জমি নিবন্ধন, চাকুরী প্রদান, শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদানের নামে কোন আর্থিক লেনদেন হয়নি এবং অত্র প্রতিষ্ঠানের নামে আজও পর্যন্ত কোন সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়নি। ৬।প্রফেসর না হয়েও ভিজিটিং কার্ডে প্রফেসর লেখা ও বলার কথা বলা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভূয়া ও বানোয়াট। আমার ভিজিটিং কার্ডে আমার পরিচয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের কো-অডিনেটর ও সিনিয়র মেডিকেল অফিসার এবং প্রেসিডেন্ট হোমিও পেশাজীবী সমিতি (হোপেস, কেন্দ্রীয় কমিটি) লেখা রয়েছে।

৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাজীবী লীগের আমি সাধারণ সম্পাদক ছিলাম ও আমাকে কোন বহিষ্কার করা হয়নি। বরং বর্তমান কমিটি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পেশাজীবী লীগ) আমাকে প্রধান উপদেষ্টা পদে ৩০-১০-২০১৯ ইং তারিখে সাধারণ সভায় নির্বাচিত করেন। (সূত্র: পেশাজীবী লীগ/ আক/ঢাবি/১৯) উক্ত পত্রে সভাপতি মুহাম্মদ রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলীর স্বাক্ষর আছে।

৮। ওয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বি.এইচ.এম.এস. (স্নাতক, হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন) ডিগ্রীতে বেশ কিছু শিক্ষার্থী ভর্তির যে কথা বলা হয়েছে তাহা সম্পূর্ণ ভূঁয়া ও বানোয়াট। সেখানে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়নি।

৯। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি ও সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে যে কথা বলা হয়েছে সে বিষয়ে আমি কিছু জানিনা এবং আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

১০। হোপেস হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক, কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের কথা বলা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

১১। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ও আমার সহকর্মী ডাঃ এনায়েতুর রহমান ভূঞার সঙ্গে আমার কোন আর্থিক লেনদেন হয়নি। তিনি যে অভিযোগ করেছেন সেটি সম্পূর্ণ ভূয়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূয়া প্রমাণিত হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, ডাঃ এনায়েতুর রহমান ভূঞার বিরুদ্ধে মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধার মেয়ে শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের কথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করেন এবং আমাকে উক্ত যৌন কেলেঙ্কারির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপাচার্য দপ্তরের উপ-রেজিস্টার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সদস্য সচিব জনাব শাহজাহান হাওলাদার অনুরোধ করেন। আমি যৌন কেলেঙ্কারির বিষয় নিয়ে ডাঃ এনায়েতুর রহমান ভূঞাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি আমার উপর ক্ষীপ্ত হন এবং তার সাথে বাকবিতন্ডা হলে তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ ও বিভিন্ন জায়গায় গুজব ছড়াতে থাকেন। এমনকি এখনও উক্ত জিজ্ঞাসাবাদের কারণে আমাকে নানাভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও বিভিন্ন অফিস আদালতে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট লেখালেখি করে যাচ্ছেন।

নিবেদক (ডাঃ আবদুর রাজ্জাক তালুকদার)

সিনিয়র মেডিকেল অফিসার হোমিও ইউনিট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং

সভাপতি হোমিও পেশাজীবী সমিতি (হোপেস, কেন্দ্রীয় কমিটি)।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *